দিন ফুরিয়ে রাত্রি এলো।
ঘিরে থাকা প্রদীপগুলো তখন অন্তিমে।
আবছা চারপাশ।
ক্ষাণিক দূরত্বটাও ভীষণ কালো।
দূরের এক প্রদীপ তখনও মিটিমিটি জ্বলছে।
হাত বাড়ালাম, প্রদীপ আমায় আলো দিলো।
আবছা কেটে স্পষ্ট হল চারপাশ।
কে তুমি হে দিপ্তী? আমায় আলো দিলে !!
এরপর প্রতিটি দিন আসে কালের পাতায়।
প্রতিটি রাত আসে নতুন স্বপ্ন নিয়ে।
আর আমি নিবাস গড়ে যাই তোমাতে।
হ্যাঁ তোমাতেই।
সেই আদি থেকে,
মানব জনম পাড় হচ্ছে শতাব্দী থেকে শতাব্দীর পরে।
প্রদীপেরা জায়গা নিয়েছে নর-বাহুতে।
তোমার স্বরূপ এমন প্রদীপ আর কেউ পেয়েছে কি কখনো?
কোন জনমে, কোন শতাব্দীতে...!!
নিশ্চই আমি অতিমানব।
অথবা তার থেকেও বেশি কিছু।
কী আলো তুমি জ্বেলে দিলে।
কী ভালোই না তুমি বাসিলে।
আমি যে প্রতিটি দিবসে, প্রতিটি রজনীতে।
বিরতিহীনে জড়াচ্ছি তোমার মায়াবী আলোক-বৃত্তে।
আমি যে প্রতিটি দিবসে, প্রতিটি রজনীতে।
বিরতিহীনে জড়াচ্ছি তোমার মায়াবী আলোক-বৃত্তে।
